নিজস্ব প্রতিবেদক: ২৭/৫/২৬
নির্যাতিত ও নিশংসিত হত্যার মধ্যে দিয়ে রামিশার জিবনের বিনিময়ে আইন প্রশাসনকে, আইন প্রয়োগ মাধ্যমে নতুন ইতিহাস তৈরি করল আইন প্রশাসন বাংলাদেশের মাটিতে। ধর্ষণ মামলায় এক মাসের মধ্যেই কার্যক্রম সমাপ্তি করায় বাংলাদেশের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ এ রায়ের সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। শহর, গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষ সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, ধর্ষণ মামলার কার্যক্রম এক মাসের মধ্যে সমাপ্তি করা হোক। এই আইনটি বহুল করার জন্য দেশের সর্বস্তরের মানুষ সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। আরো বলেন, এই ব্যাধি সমাজের মধ্যে বাড়তে দেওয়া যাবে না, ধর্ষণ শব্দটিকে দেশ থেকে চিরতরের জন্য নির্মূল করতে হবে আইন প্রয়োগের মাধ্যমে।
দেশের বিচার বিভাগ এক নজিরবিহীন ও ঐতিহাসিক ঘটনার জন্ম দিল মেহেরপুরের ছোট্ট শিশু রামিসার জীবনের বিনিময়ে। মাত্র ২৯ কার্যদিবসের মধ্যে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করে ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। রায়ে অপরাধের সত্যতা প্রমাণ হওয়ায় অভিযুক্ত যুবককে মৃ”ত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
দেশে এত কম সময়ের মধ্যে কোনো ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণার ঘটনা এটিই প্রথম। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মেহেরপুরে ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। এরপর থেকে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে মামলার তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ করে রেকর্ড ২৯ কার্যদিবসের মাথায় বিজ্ঞ আদালত এই চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন।
সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসার ঝড়, দেশের সরকার ও আইন বিভাগ চাইলে দেশটিকে সুন্দর করে গুছিয়ে নিতে পারে, দেশের মানুষ ধর্ষণ, নির্যাতন, খুন-গুম আহাজারী এ কিছু আর দেখতে চায় না। দেশের মানুষ একজন নিরবিচ্ছিন্ন দেশ গঠন করার এবং পরিচালনা করার একজন সক্রিয় সরকার চেয়েছিল তা সাধারণ জনগণ পেয়েছে, আজ তারই প্রমাণ দেয়।
দ্রুততম সময়ে এই দৃষ্টান্তমূলক রায় ঘোষণার পর দেশজুড়ে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ ও আইন বিশ্লেষকদের মতে, এটি দেশের বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে একটি মাইলফলক।
অপরাধ কমার আশা: নেটিজেনদের অনেকেই বলছেন, সাধারণত বাংলাদেশে এই ধরনের মামলা বছরের পর বছর ঝুলে থাকে। কিন্তু মাত্র ২৯ দিনে রায় ঘোষণা অপরাধীদের জন্য একটি কঠোর বার্তা। এ ধরনের দ্রুত বিচার কার্যকর হলে সমাজে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের শব্দটি শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।
সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল অপরাধের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতি এবং কঠোর অবস্থানকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন। দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং বিচার বিভাগের এই তৎপরতা সর্বস্তরে প্রশংসিত হচ্ছে।
আইনজ্ঞরা মনে করছেন, মেহেরপুরের এই রায় দেশের অন্যান্য বিচারাধীন মামলার ক্ষেত্রেও একটি অনন্য নজির হয়ে থাকবে, যা ভবিষ্যতে দ্রুত বিচার প্রাপ্তির পথকে আরও সুগম করবে।
সর্বোপরি দেশের মানুষ, এই রায় কার্যকর করে দেশের মধ্যে একটি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি যার রায় মৃত্যুদণ্ড। ইতিহাস তৈরি করার ঘটনার দেখতে চায় বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ।
আর নয় ধর্ষণ, ফিরে আসো ফিরে আসো দেশের সমাজকে রক্ষা করো।