মোঃ আলমগীর হোসেন: নিজস্ব প্রতিবেদক
২২/৭/২৬ ইং
কুড়িগ্রাম জেলার বুক চিরে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১৬টি নদ-নদী প্রবাহিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান ও উল্লেখযোগ্য নদ-নদীগুলো হলো ব্রহ্মপুত্র (যমুনা), তিস্তা, ধরলা এবং দুধকুমার। এছাড়া ছোট নদীর মধ্যে রয়েছে জিঞ্জিরাম, সোনাভরি, গদাধার, এবং ফুলকুমার।
উল্লেখযোগ্য নদী গুলোর মধ্যে দুধকুমার ও ফুলকুমার নদীর মধ্যে সর্বোচ্চ বেশি পানি ও ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে, দুধকুমার ও ফুলকুমার নদীর ভাঙ্গনের মতে উল্লেখযোগ্য রয়েছে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কালজানির ঘাট, সামাদের ঘাট, নাগেশ্বরী উপজেলার মধ্যে রায়গঞ্জ ইউনিয়নের দামালগ্রাম মৌজার নতুন সুইজগেট সহ প্রায় ১০০ একর জমি ও অর্ধশতক বাড়িঘর ভেঙে দুধকুমার নদীতে বিলীন হয়ে গেছে, এই নদী ভাঙ্গন বিষয়ে বিস্তারিত জানতে গেলে এ্যাডভোকেট জনাব মোঃ ফারুক হোসেন সহ ঐ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আবার নাগেশ্বরী উপজেলার বেরুবাড়ী ইউনিয়নের আয়নালের ঘাট, সাপ খাওয়া,এবং পাঁচ মাথা, কালিগঞ্জ নুন খাওয়াসহ নদীর পানি বৃদ্ধি সহ ব্যাপক নদী ভাঙ্গন চলছে।
অন্যদিকে ধারলা নদীতে ফুলবাড়ি নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোরক মণ্ডল মৌজায় পানি বৃদ্ধি সহ ব্যাপক ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের বান্টুর ঘাট, হলোখানা ইউনিয়নে চর
শারডোব, ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন সংলগ্ন ধরলা নদী, পাঁচগাছি কদমতলা চর, মোগলবাসা ইউনিয়নের নয়ারহাট ও ফ্লাট সেন্টার সংলগ্ন, ধরলা নদীতে পানি বৃদ্ধি সহকারে যাত্রাপুর ইউনিয়ন বাজার সংলগ্ন ব্যাপক ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে,
আবার উলিপুর উপজেলা হাতিয়া ইউনিয়ন সংলগ্ন বেরিবাদ, বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের কর্ডার মোড় বাজার সংলগ্ন নদীর দুই পাড়ে পানি বৃদ্ধি ও ব্যাপক ভাঙ্গন সৃষ্টি করেছে, চিলমারী উপজেলার কাঁচকোল মৌজায় ব্রহ্মপুত্র নদীর পানিবৃদ্ধি ও ব্যাপক ভাঙ্গন সৃষ্টি করেছে।
রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার বিভিন্ন চর যেমন চর নয়ারহাট শৈলমারী চর দাঁতভাঙ্গার চর বিভিন্ন স্থানে পানি বৃদ্ধি সহ ব্যাপক ভাঙ্গন সৃষ্টি করেছে। এছাড়াও উলিপুর উপজেলার গুনাই গাছ ও থেথরাই ইউনিয়নের তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে ব্যাপক ভাঙ্গন সৃষ্টি করেছে।
কুড়িগ্রাম জেলার হাজার হাজার সাধারণ মানুষ নদী ভাঙ্গনের কারণে তাদের বসতভিটা হারিয়ে আজ ভূমিহীন হয়ে পড়েছে। নদী ভাঙ্গন রোদে কুড়িগ্রাম জেলার সাধারণ জনগণ কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক ও সরকারের প্রতি নদী ভাঙ্গন রোধের বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।