September 17, 2026, 9:55 pm
শিরোনামঃ
সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে ১ দিনের প্রশিক্ষণ, সনদ বিতরণ ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের অভিযানে নগদ টাকাসহ ০৪ জুয়াড়ি গ্রেফতার। ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের তৎপরতায় ৭৬ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদককারবারি গ্রেফতার। ভূরুঙ্গামারীতে বাগভান্ডার বিজিবি কতৃক ৭ বস্তা সার আটক কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণসহ স্থায়ী ক্যাম্পাস দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট সাধারণ জনগণের স্মারকলিপি। নাগেশ্বরীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৫ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাই কাপড় জব্দ, মামলা দায়ের। কুড়িগ্রামে রঙ বদলের রাজনীতি: সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা এখন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ভূরুঙ্গামারীতে ৮ শতক জমির বিরোধে সহিদুল কে হত্যা, সাঁরাশি অভিযানে ১৭ জন গ্রেপ্তার সাংবাদিকতা ছেড়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখক সহকারী হলেন দৈনিক প্রলয়ের সম্পাদক মির্জা সোবেদ আলী রাজা। হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ

ন্যানোটেকনোলজিতে মৌলিক গবেষণার জন্য রসায়নে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

Reporter Name

চলতি বছর তিন বিজ্ঞানী রসায়নে নোবেল পেয়েছেন। তাঁরা ফরাসী মঙ্গুই বায়েন্ডি, মার্কিন লুই ব্রাস ও মার্কিন-রুশ বিজ্ঞানী অ্যালেক্সাই ইয়াকিমভ। ন্যানোটেকনোলজির মৌলিক গবেষণার জন্য তারা নোবেল পেলেন।

বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে সুইডিশ নোবেল একাডেমি এ তিন বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করে।

কেন তাঁরা নোবেল পেলেন?

কারণ, তাঁরা আবিষ্কার করেছিলেন কোয়ান্টাম ডট। ন্যানোপার্টিকেলগুলি এত ছোট, সেগুলোর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করার জন্য নতুন কিছু প্রয়োজন ছিল। তিন বিজ্ঞানির উদ্ভাবিত কোয়ান্টাম ডট অতিক্ষুদ্র ন্যানোপার্টিকেলের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারে। এর ফলেই জোয়ার আসে ন্যানোটেকনোলজিতে।

আজকের এলইডি টিভি, এলইডি বাতিতে এই তিন বিজ্ঞানীর আবিষ্কারের পরোক্ষ ছোঁয়া রয়েছে। এমনকি টিউমারের টিস্যু অপারেশনের সময় সার্জন-চিকিৎসকদের গাইড হিসেবে ভূমিকা রাখে ন্যানোটেকনোজির সেই মৌলিক আবিষ্কার।
যেকোনো বস্তুর গতিপ্রকৃতি নিউটনীয় গতিবিদ্যা দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। সে বস্তু যদি খুব ছোটও হয়, তবুও।

কিন্তু যখন কোনো বস্তু অতি ক্ষুদ্র হয়, তাদের পরিমাপ করার জন্য ন্যানোস্কেল ব্যবহার করার দরকার হয়, তখন সেই সব বস্তু বা কণাকে আর নিউটনীয় গতিবিদ্যা ব্যাখ্যা করা যায় না। সে সব বস্তুদের আচার-আচরণ ব্যাখ্যা করতে দরকার হয় কোয়ান্টাম বলবিদ্যার। এত ক্ষুদ্র কণাদের জগতে যে প্রযুক্তির ব্যবহার রয়েছে, তাকেই বলে ন্যানোটেকনোলজি। এই টেকনোলোজির উৎকর্ষ সাধনে বাওয়েন্ডি, ব্রাস ও একিমভ বড় ভূমিকা রেখেছেন। তারাই প্রথম খুব এত ছোট কণা বা ক্ষুদ্র বস্তু তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিলেন, যাদের আচারণ, বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি কোয়ান্টাম বলবিদ্যার সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যায়।

সেই খুদে বস্তুদের বলা হয় কোয়ান্টাম ডট।
বহু আগে থেকেই পদার্থবিদেরা জানতেন, ন্যানোপার্টিকেলে কোয়ান্টাম প্রভাব দেখা দিতে পারে। কিন্তু সে সময় ন্যানোস্কেলের কোনো স্পষ্ট চিত্র বিজ্ঞানীদের কাছে ছিল না। তাই, বেশিরভাগই গবেষকেরাই মনে করতেন, ন্যানোস্কেলের কোয়ান্টাম প্রভাবের ব্যবহারিক প্রয়োগ অসম্ভব। কিন্তু আজকের প্রযুক্তিদুনিয়া দাঁড়িয়েই আছে ন্যানোটেকনোলজির ওপর। আর এই অসম্ভবকে সম্ভব করতে বড় ভূমিকা রেখেছে এই তিন নোবেলজয়ীদের গবেষণা।

নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীরা নোবেল পদকের পাশাপাশি পাবেন একটি সনদপত্র, মোট ১১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা বা ১১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

বিস্তারিত আসছে…


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা