সাংবাদিকতা ছেড়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখক সহকারী হলেন দৈনিক প্রলয়ের সম্পাদক মির্জা সোবেদ আলী রাজা।
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
দৈনিক প্রলয় পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মির্জা সোবেদ আলী রাজা সাংবাদিকতা পেশা থেকে সরে গিয়ে নতুন পেশায় যুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘দলিল লেখক সহকারী’ হিসেবে কাজ করছেন। তিনি গত ৫ বছর কাজ করেছেন। এবছর লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছেন।
দীর্ঘদিন সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পর তাঁর পেশা পরিবর্তনের বিষয়টি স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও পরিচিত মহলে আলোচনা তৈরি করেছে।
জানা গেছে, গত প্রায় ছয় মাস ধরে দৈনিক প্রলয় পত্রিকার কার্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ সময় মির্জা সোবেদ আলী রাজা ময়মনসিংহে অবস্থান করছেন এবং পরবর্তীতে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নতুন পেশায় যুক্ত হন।
এদিকে, কাওরানবাজারের পত্রিকা কার্যালয় পরিচালনা ও বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণাসহ বিভিন্ন আইনে ১১ টি মামলা হয়েছে। এরমধ্যে চেকের মাধ্যমে প্রায় তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ময়মনসিংহ ও ঢাকায় মোট ১১টি মামলা করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, এসব মামলার পর তিনি ঢাকা ছেড়ে ময়মনসিংহে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান শুরু করেন এবং পরবর্তীতে নতুন পেশায় যুক্ত হন।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে মির্জা সোবেদ আলী রাজা বলেন, “আমি আগে বুঝিনি যে পত্রিকা পরিচালনা করা এত কষ্টের। তাই পত্রিকা অফিস বন্ধ করে দিয়েছি। শহিদুল ইসলাম ও আনিসুর রহমান আমাকে বিপদের মুখে ফেলে দিয়েছে। তাই তাদের পত্রিকা থেকে বের করে দিয়েছি।” এমন একটি অডিও ফাঁস হবে।