June 17, 2026, 10:43 am
শিরোনামঃ
ভুরুঙ্গামারীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ল ব্যবসায়ীদের স্বপ্ন, নিঃস্ব বহু পরিবার। কুড়িগ্রাম ভুরুঙ্গামারী উপজেলা ফকিরের হাটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড প্রায় ৭০ থেকে ১০০ দোকান ঘর পুড়ে ছাই মেয়েকে উদ্ধারে ঘুষ দাবির অভিযোগ, ওসির বিরুদ্ধে ডিআইজির দ্বারস্থ পুলিশ কনস্টেবল: রামিসা ধর্ষণ মামলার আলামত ক্ষত করে পানি দিয়ে ধৌত করায় আলামত পাওয়া যায়নি কিন্তু ধর্ষণ ও ছোড়ার আঘাতে টুকরো টুকরো করে। একবিংশ শতাব্দীর সভ্য সমাজে আমরা কতটা অমানুষ হয়ে গেছি, এই ঘটনা তার জলজ্যান্ত প্রমাণ। কুড়িগ্রামে অসহায় ও অসচ্ছল মানুষের মাঝে আল-জাজা ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার। দরিদ্র ও অসচ্ছল ২২০ পরিবারের মাঝে কুরবানির মাংস বিতরণে আল-জাজা ফাউন্ডেশনের ৩ দিনব্যাপী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। রামিশা হত্যার রায় বাংলাদেশে এক নতুন ইতিহাস জন্ম নিল। গ্রামীণ ‘বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা’ বা এডিপির প্রায় ১০ লক্ষ টাকার কাজের ভরপূর অনিয়ম, নামমাত্র বাস্তবায়ন। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়নের পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক রেগুলেটরের বেহাল অবস্থা দেখার যেন কেউ নেই

ভুরুঙ্গামারীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ল ব্যবসায়ীদের স্বপ্ন, নিঃস্ব বহু পরিবার।

মোঃ রিয়াজুল ইসলাম

ভুরুঙ্গামারীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ল ব্যবসায়ীদের স্বপ্ন, নিঃস্ব বহু পরিবার।

 

 

মোঃ রিয়াজুল ইসলাম: দৈনিক সোনালী খবর, ভুরুঙ্গামারী উপজেলা প্রতিনিধি। ০৬/০৬/২৬ ইং

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী বাজারে আজ শুক্রবার ০৫/০৬/২০২৬ এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে ছাই হয়েছে বাজারের বেশ কয়েকটি দোকান ও মালামাল। আগুনের ভয়াবহতা এতই বেশি ছিল যে স্থানীয়রা কিছু বুঝে ওঠার আগেই মুহূর্তের মধ্যে আগুনের গ্রাসে পরিণত হয় ব্যবসায়ীদের স্বপ্ন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, আজ সকাল সাতটা নাগাদ বাজারের একটি দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের শিখা চারপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো যোগ দিলে কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

অগ্নিকাণ্ডে কাপড়, মুদি, ইলেকট্রনিক্সসহ বিভিন্ন ধরনের অন্তত ৭০টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এতে কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা। অনেক ব্যবসায়ী তাদের সারা জীবনের পুঁজি হারিয়ে এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

এ বিষয়ে নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার বলেন, “খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে ক্ষতির পরিমাণ ও আগুনের সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।”

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, বাজারের ভেতরে সরু রাস্তা ও পানির উৎসের অভাব থাকায় আগুন নেভাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। ব্যবসায়ীদের কান্না আর আহাজারিতে বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে কি না, তা এখনো জানা যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা