August 1, 2026, 5:01 pm
শিরোনামঃ
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার পদে দোয়া প্রার্থী ফজলুল হক কুড়িগ্রাম জেলায় ১৬টি নদী ভারতের পাহাড়ি পানির ঢলে বিপদসীমার মধ্যে নদী ভাঙ্গনে এলাকার লোকজন আতঙ্ক। ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের এককালীন অনুদানের চেক বিতরণ। দেশীয় মাছ রক্ষায় ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের অভিযানে ৩ কিলোমিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ। কুড়িগ্রাম ভূরুঙ্গামারীতে ১৪ কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ আটক- ২ ভূরুঙ্গামারীতে জাল সনদ নিয়োগে এমপিও স্থগিত কুড়িগ্রামে সুপারির বাগানে গাঁজা চাষ অভিযানে গাছ জব্দ করল পুলিশ। ভূরুঙ্গামারীতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ ও উৎকোচ দাবীর অভিযোগ। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে (টি.আর) কর্মসূচির আওতায় ২য় পর্যায়ের প্রকল্পের জয়মনিহাট ইউনিয়নের ২১৫ ফুট সিসি রাস্তা ঢালাই কাজের শুভ উদ্বোধন।

কুড়িগ্রামে ব্যাটারি চালিত অটো , রিক্সা ও মিশুকের কারণে যানজট পৌর এলাকা ।

মোঃ আলমগীর হোসেন

কুড়িগ্রাম একটি মঙ্গা কবলিত ছোট জেলা কিন্তু জনবসতি অনেক বেশি, তার কারণে এই জেলার বেকারত্ব জনসংখ্যার সংখ্যা অনেক বেশি । আবার শিক্ষার হাড়ও অনেক কম, বাল্যবিবাহের সংখ্যা অনেক বেশি, ছোট বড় একটি বিশাল জনগোষ্ঠী প্রতিনিয়ত মাদকের সঙ্গে লিপ্ত হয়ে পড়েছেন, বলা যায় এই জেলার একটি বিশাল জনগোষ্ঠী এক পর্যায়ে বাল্যবিবাহ ও মাদকে এই জেলার লোকজন জীবন সঙ্গী করে নিয়েছেন ।

এই কুড়িগ্রাম জেলার বিশাল জনগোষ্ঠী কর্মের কোন পথ খুঁজে না পেয়ে, কোন ট্রেনিং নেই, প্রশিক্ষণ নেই, জীবিকা নির্বাহের লক্ষ্যে হাতে তুলে নিচ্ছে এইসব যানবাহন, যা দিয়ে তাদের কোন মতে সংসার চলে মাত্র। এই কুড়িগ্রাম জেলায় বেকারত্ব নিরসনের কোন প্রকার কলকারখানা ইন্ডাস্ট্রিজ নেই বলে, বেশিরভাগ ছোট ও মধ্যবিত্ত পরিবারের বিশাল জনগোষ্ঠী এই রিক্সা চলার কাজে লিপ্ত হচ্ছে।

কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট থেকে জানা যায়, গত ৩০ বছরে ১ বার মাত্র নৌকা মার্কা প্রতিক নিয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব মোঃ জাফর আলী পাঁচ বছরে সন্তোষ জনক ভাবে উন্নয়ন করতে সম্ভব হয়েছে। তাছাড়া তার পূর্বে ও বর্তমান জাতীয় পার্টির মনোনীত এমপি হিসেবে, কুড়িগ্রাম ২৬, ২ আসনে বারবার নির্বাচিত হয়েছেন, অথচ এই কুড়িগ্রামে রাস্তাঘাট স্কুল কলেজ মাদ্রাসা কোন উন্নয়ন হয়নি, জানা যায় যেটুকু উন্নতি হয়েছে সেটি স্বয়ং সরকার নিজে থেকে উন্নয়নের সম্ভব হয়েছে। বাস্তবতায় একটি স্থান তুলে ধরা যাক, জাতীয় পার্টির মনোনীত এমপি আলহাজ্ব পনির উদ্দিন ও তার মনোনীত ব্যক্তিরা কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়নের, কৃষ্ণপুর মৌজায়, ফারাজীপাড়া গ্রামের প্রায় পৌনে দুই কিলো রাস্তা (ফরমান আলীর বাড়ি হইতে হ্যালো হাজির বাড়ি পর্যন্ত) প্রায় তিনশত বাড়ি ও ১৩০০ লোকজন চলাফেরা করেন, এই জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থীগণ প্রায় ২০ বছর থেকে বারবার ভোটের সময় গিয়ে কথা দিয়ে আসেন, ভোটে হইলে এই রাস্তাটি পাকা করে দিব, আদৌবধি ওই রাস্তাটি একই অবস্থায় রয়েছে, দেখার কেউ নেই, বৃষ্টি বাদলের দিনে জনগণের চলার মত কোন অবস্থা থাকে না, ওই এলাকাবাসীর কথা একজন এমপি হিসেবে এই এলাকাটি কখনো দেখার প্রয়োজন মনে করেন না।

কুড়িগ্রাম ২৬, ২ আসনের সদর উপজেলা রাজারহাট ও ফুলবাড়ী উপজেলার স্থায়ী জনগণ মারফত জানা যায় ,কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মধ্য দলস্থ এলাকায় নালিয়ার দোলায় প্রায় তিনশত একর জমির মধ্যে হতে যাচ্ছে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়,
সেটিও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে হয়েছে। স্থানীয় সুবিধার জন্য অনেকে নিজের নিকটবর্তী জায়গায় এই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চাওয়ার পরেও তা সার্থক হয়নি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তিনি নিজেই পর্যবেক্ষণ করে সঠিক স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছেন বলে জানান  এলাকাবাসি। আরো জানান যে, এই প্রতিষ্ঠানে অনেক লোকের কর্মসংস্থান হলে সবদিক থেকে এই এলাকার উন্নতি হবে বলে জানান, আরো জানান কুড়িগ্রাম ২৬, ২ আসনের কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ধরলা সেতুর পূর্ব দিকে যে স্থানে ইপিজেড হওয়ার নির্ধারিত স্থান হিসেবে, নির্ধারণ করা হয়েছে এটি একটি উপযুক্ত স্থান বলে জানান সাধারণ জনগণ।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ধরলা নদীর পূর্ব দিকে ইপিজেড করার লক্ষ্যে সরকার যে জায়গাটি নির্ধারণ করেছেন, এই জায়গায় ইপিজেড হইলে সামাজের অবহেলিত বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান হবে বলেন এলাকাবাসী।
এই ইপিজেডে সরকারি কার্যক্রমের ক্ষেত্রে একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন হবে, এতে করে শিক্ষিত-অশিক্ষিত উভয়েই কর্মসংস্থান তৈরি হবে।

কুড়িগ্রাম জেলার এই বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে অবশ্যই একজন টিকসই উন্নয়নমূলক সরকারের প্রয়োজন, তবে নিঃসন্দেহে বলা যায়, চলমান সরকারের নেতৃত্বে কোভিড 19 ও অমিক্রমের মধ্য দিয়ে, সরকার এ দেশকে যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এতে করে সরকারের দেওয়া কথা মোতাবেক 2041 সালের মধ্যে এই দেশ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসবে বলে মনে করেন কুড়িগ্রাম জেলা বাসি। কুড়িগ্রাম জেলা বাসী বলেন, আগামীতে সরকার যে সকল কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন এই কার্যক্রম থেকে সফলতা অর্জন করলে কুড়িগ্রাম জেলার লোকজনের কাজের অভাব হবে না, থাকবে না বেকারত্ব, চালাতে হবে না শিক্ষিত বেকারদের রিক্সা। কমবে রাস্তায় রিক্সার যানজট, উন্নত হবে এই কুড়িগ্রাম, হবে মাদক ও বাল্যবিবাহ অবসান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা