পূবাইলে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগ নেতা জুয়েল পাঠানের অপপ্রচারের প্রতিবাদে
সংবাদ সম্মেলন।
পূবাইল(গাজীপুর) প্রতিনিধি ৩১/৭/২৫
গাজীপুর মহানগরের পূবাইলে নিষিদ্ধ ঘোষিত সক্রিয় যুবলীগ নেতা জুয়েল পাঠানের মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী আবদুল কাইয়ুম মাসুম।
বৃহস্পতিবার বিকালে গাজীপুর সিটি প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পূবাইল মেট্রো থানার ৪১ নং ওয়ার্ডের বসুগাঁও এলাকার পাঠানবাড়ি কাসিমুল উলুম মাদরাসা ও এতিমখানা মসজিদের প্রতিষ্ঠা জমিদাতা এবং মোতওয়াল্লি আব্দুল কাইয়ুম মাসুম লিখিত বক্তব্যে জানান,আমার পিতার সন্মার্থে হাফেজ আহমেদ পাঠান ওই মাদরাসার মোতওয়াল্লি হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। তারপর থেকে আহমেদ পাঠান ও ফ্যাসিবাদের দোসর পূবাইল থানা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রার্থী যুবলীগ নেতা জুয়েল পাঠানের যোগসাজশে এতিমখানার নামে অনুদান এনে ভাগবাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করতে থাকে। এই বিষয়ে প্রতিবাদ করলে যুবলীগ নেতা জুয়েল পাঠান তার দলবল নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করে।আমি আদালতে মামলা করলে আওয়ামী সন্ত্রাসী দ্বারা জোরপূর্বক মামলার আপোষ করে নেয়।মাদসারাসা ও এতিমখানার ত্রান ও পূনর্বাসনের ফাণ্ড থেকে পূর্ব লিস্ট অনুযায়ী ১ টন চাউল বরাদ্দ হয়। যা আমি নিজে স্বাক্ষর করে ৪২ হাজার টাকা নিয়ে আসি।কিন্ত জুয়েল পাঠানের কু-পরামর্শে ওই টাকার ভাগ চাইয়া আমাকে বিরক্ত করতে থাকে। ইতোমধ্যে আমার বাবা এক এতিম ছাত্রকে শাসন করতে গিয়ে গলা টিপে ধরে ফলে সব শিক্ষার্থীরা চলে যায়। কিছু দিন বন্ধ থাকার পর আমি কাইয়ুম মাসুম প্রতিষ্ঠা মোতাওল্লী হিসাবে দায়িত্ব নেই। বিভিন সময় চালের টাকা চাইতে থাকলে ভাল জুয়েল পাঠানের চাপে পড়ে আমি গাজীপুর সদর ইউএনও অফিসকে জানাই।ইউএনও অফিসের কর্মকর্তা উজ্জ্বল সাহেব তদন্ত করে আমাকে এক টন চালের টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে বলে।চলতি ১৭ জুলাই গাজীপুর সদর উপজেলা কমপ্লেক্স সোনালী ব্যাংক শাখায় ৪২ হাজার টাকার পরিবর্তে (চালান নং ২৫২৬০০০১৫৮৪৭৩৪১) ৫৬ ৩৯০ (ছাপান্ন হাজার তিনশত নব্বই টাকা)জমা দেই।
এর পর থেকে ওই যুবলীগ নেতা জুয়েল পাঠান আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করতে বিভিন্নভাবে সংবাদ মাধ্যমে ও ফেসবুকে মিথ্যাচার এবং অপপ্রচার করতে থাকে। আ’লীগ আমলেও আমাকে শান্তিতে থাকতে দেয়নি।এখন কীসের ক্ষমতায় আমার বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত ফ্যাসিস্ট সরকারের অন্যতম যুবলীগ নেতা জুয়েল পাঠান আমার জমিতে প্রতিষ্ঠিত এতিমখানার অনুদানের নামে পূর্বের ন্যায় টাকা আত্মসাৎ চালিয়ে যেতে চান সেটা বোধগম্য হচ্ছে না।আমি ও আমার বর্তমান কমিটির সভাপতি আতাউর রহমান পাঠান ও সদস্য সুজন পাঠান জুয়েল পাঠানের মানহানিকর কার্যকলাপের উপযুক্ত বিচার দাবি করছি। যুবলীগ নেতা কীভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে?আমি অসহায় হয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যুবলীগ নেতাকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য। সে কীভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এটা এলাকাবাসীর প্রশ্ন। আমি নতুন কমিটি নিয়ে পুনরায় ওই দ্বিনী প্রতিষ্ঠানটি চালু রাখতে প্রশাসনের সর্বাত্মক সাহায্য ও সহযোগিতা কামনা করছি।