ছাত্র সমন্বয়কের উপর নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতারে, পুলিশের আচরণ নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিবৃতি।
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
গত ০২-০৪-২০২৫ ইং তারিখ শ্লীলতাহানি ও অপহরণ চেষ্টার মামলায় চররাজিবপুর উপজেলা ছাত্র প্রতিনিধি (সমন্বয়ক) মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় পুলিশের আচরণ নিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
মঙ্গলবার (১লা এপ্রিল) রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার যুগ্ন সদস্য সচিব ও সেল সম্পাদক (দপ্তর সেল) লোকমান হোসেন লিমন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। ওই বিবৃতি সূত্রে জানাগেছে, ৩১ মার্চ রাতে রাজিবপুরে একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী এক শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা যায়, যে, ৩১ মার্চ রাত ১১ টার পর বটতলা সংলগ্ন এলাকায় একটি অটোরিকমায় ২ জন নারী ও ৭-৮ জন পুরুষ যাত্রী ছিলেন ঐ সময়ে এক নারী যাত্রী সাহায্যের সংকেত দেন।
প্রথমে পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে না পারলেও যখন অটোরিকশাটি সাধারন পথ পরিহার করে দুটি ভুট্রা ক্ষেতের মাঝখানে অন্ধকার রাস্তার দিকে মোড় নেয়, তখন তারা সন্দেহ প্রকাশ করেন, যে নারী যাত্রী বিপতে রয়েছেন। শিক্ষার্থীরা সাহায্য করতে গেলে আরেকটি অটোরিকশায় ৭-৮জন যুবক এসে তাদের ওপর আচমকা হামলা চালায়। এসময় একজন বলেন, ‘আমি সচিবের ছেলে, সামনে এমপি হবো। তোদের মার্ডার করবো” পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পার্শবর্তি স্থানে অচেতন অবস্থায় মেহেদীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
আরও জানাগেছে, হামলায় জড়িত ব্যক্তি, যিনি নিজেকে সচিবের ছেলে বলে দাবি করেছেন, তিনি মূলত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুল আলমের পুত্র।
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতারা গ্রেপ্তার ওই ঘটনাটিকে একটি পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।
এ ঘটনায় কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান কালবেলাকে বলেন ভুক্তভোগীর পিতার অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ শতভাগ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করছে। কুড়িগ্রাম জেলার সাধারণ জনগণ জেলা পুলিশ সুপারের নীরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করার সাধুবাদ জানিয়েছেন।