কুড়িগ্রাম নাগেশ্বরী উপজেলায় ভিজিএফ চাল লুটপাট, যোগ সাজসে উপজেলার দুই কর্মকর্তা।
নিজস্ব প্রতিবেদক
গত ২৪-০৩-২০২৫ইং তারিখ কুড়িগ্রাম নাগেশ্বরী উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ ভিজিএফ চাল লুটপাট হওয়ার দৃশ্য হাতেনাতে ধরে এবং মোঃ আতিকুর রহমান আতিক এক বস্তা চাল নিয়ে যান এবং ওই সময় শত শত সাধারন জনগণ সঙ্গবদ্ধ হয়ে হাসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পাশের এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর গোড়াউন থেকে বারোটি বস্তা এবং আতিকুর রহমানের নিকট থেকে একটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। ওই সময় ভ্যান চালক কোথায় কোথায় চাল রেখেছেন তারও সত্যতা পাওয়া যায় । যার মধ্যে একটি বস্তাতে প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ কেজি চাল রয়েছে। এতে হিসাব করে দেখা যায় ৩০ কেজির প্রায় ২৫ থেকে ২৬ টি বস্তার চাল ওইখানে গোপন ভাবে রাখা হয়েছে বিষয়টি সম্বন্ধে নাগেশ্বরী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রকল্প কর্মকর্তা নাগেশ্বরী বিষয়টি ৩/৪টি চালের বস্তা ধরে বিষয়টি এক প্রকার ধামাচাপা দেওয়ার মতো । কারণে নাগেশ্বরী উপজেলার অসাধু প্রকল্প কর্মকর্তা এবং নির্বাহী কর্মকর্তা উপর সাধারণ জনগন আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন।
আবার বেরুবাড়ি ইউনিয়নের মোতালেব মিয়া যে ৪৫০টি স্লীপ পেয়েছেন এর মধ্যে ২৫০ টি বিতরণ করেন। বাকি ২০০ স্লীপ অনিয়ম হয় এ ধরনের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার কোন রূপ সমাধান করার খবরাখবর পাওয়া যায়নি।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় নির্বাহী কর্মকর্তা নাগেশ্বরী ও প্রকল্প কর্মকর্তা বেরুবাড়ি, কালিগঞ্জ, হাসনাবাদ ও অন্যান্য ইউনিয়নে এই অসাধু কার্যকলাপে যুক্ত রয়েছেন।
গত ২৪-০৩-২০২৫ ইং তারিখ হাসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে প্রকল্প কর্মকর্তা সাথে দেখা হলে তিনি বলেন সামনে ২৬/২৭ তারিখের মধ্যে যেকোনো বিষয়ে জানার প্রয়োজন হলে অফিসে আসেন।
এর মধ্যে গত ২৭-০৩-২০২৫ ইং তারিখ নাগেশ্বরী প্রকল্প কর্মকর্তার নিকট গেলে তার পালিত কিছু সাংবাদিক দিয়ে আমাকে তাদের প্রেসক্লাবে ডেকে নিয়ে ছবি তোলে এবং আমার সম্পর্কে বিভিন্ন বাজে কথা বলে মান সম্মানের হানি করেন। তারা বলেন নাগেশ্বরী উপজেলায় কোন তথ্য নিতে আসলে আমাদের ক্লাবের সদস্যকে অবগত করতে হবে নইলে নাগেশ্বরীতে প্রবেশ করা যাবে না। এভাবে মুচলেখা লিখে আমার স্বাক্ষর নেন।
অন্যদিকে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ কে মুঠোফোনে কল করে বেরুবারি ইউনিয়নের লিখিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানিনা। কেউ আমার কাছে কোন প্রকার লিখিত অভিযোগ করেনি। তিনি সাংবাদিককে বলেন আপনি আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন না, আপনি আমার কাছে কোন বিষয়ে জানতে পারেন। তিনি হুমকি প্রদর্শন করেও বলেন ফারদার আমাকে কোন প্রশ্ন করবেন না, তিনি জনগণের সেবক হয়ে জনগণের কোন কথা শুনতে রাজি না।
নাগেশ্বরী উপজেলার মানুষ যেখানে লিখিত অভিযোগ করেই কোন বিচার পান না, সে ক্ষেত্রে তারা এ ধরনের প্রশাসনিক কর্মকর্তার প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন।