কুড়িগ্রাম রাজারহাটে ১৭ বছরের কিশোরীকে ১৮ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ, সেনাবাহিনীর সহায়তায় উদ্ধার।
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের দুলু মিয়ার১৭ বছরের কিশোরী কন্যা হেলেনা পারভীনকে গত ২ মার্চ নিজ বাড়ী থেকে দেশিয় অস্ত্রের মুখে জোড় পুর্বক অপহরণ করে তুলে নিয়ে গিয়ে ১৮ দিন ধরে ধর্ষণের সংবাদ পাওয়া গেছে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পেয়ে ধর্ষকের বাড়িতে সেনাবাহিনীর সহায়তায় ধর্ষক গংকে ধরতে গেলেও ধর্ষক গং পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
জানা যায়, ওই উপজেলার গকুন্ডা ইউনিয়নের চড় গকুন্ডা গ্রামের মৃতঃ টেংরা মামুদের পুত্র মোঃ ফজলুল হক (৪৮) দলবলে দেশীয় অস্ত্রের মুখে গত ০২ মার্চ ওই কিশোরীকে নিজ বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে গতকাল ১৯ মার্চ পর্যন্ত নিজ বাড়িতে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন, ভিডিয়ো ধারণ ও ধর্ষণ করে।
কিশোরী হেলেনা সুযোগ বুঝে গতকালই ধর্ষকের বাড়ি থেকে পালাতে সক্ষম হয়। সে পালিয়ে প্রথমে এলাকার এক বৃদ্ধার পা ধরে তাকে বাঁচাতে আকুতি জানায় এবং পুরো ঘটনা খুলে বলে এলাকায় এক বাড়িতে প্রবেশ করে সেখানে আশ্রয় নেয়। বিষয়টি লোকমুখে জানাজানি হলে স্থানীয় কিছু গ্রামবাসী প্রথমে ধর্ষকের বাড়িতে বিষয়টি জানার জন্য যায়, এসময় ধর্ষক ফজলুর স্ত্রী রোজিনা বেগম এলাকার মুরব্বি রাকিবুল মিয়ার ওপর কুড়াল নিয়ে হামলা করতে ছুটে আসে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পরে একতাবদ্ধ হয়ে সেনাবাহিনীর সহায়তায় ধর্ষক ফজলুর বাড়িতে যাওয়ার আগেই ধর্ষক ফজলু স্বপরিবারে বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
এসময় ধর্ষক ফজলুর বাড়ি থেকে বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র ০২টি দা, ০২ টি কাচি, ০২ টি এসএস পাইপ ও ০১ টি ছুরি উদ্ধার করে ভিকটিম কিশোরীকে রাজারহাট থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে। এঘটনায় রাজারহাট উপজেলাবাসী ধর্ষক গংকে গ্রেফতার করে ধর্ষকের ফাঁসি, ফাঁসি, ফাঁসি চাই স্লোগানে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) জানিয়েছে আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে যে কোন মুহুর্তে গ্রেফতার করা হবে।