May 13, 2026, 6:59 pm
শিরোনামঃ
কবিতা : সাংবাদিক হব ,এই আমার পণ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি, কুড়িগ্রামে জাতীয় গ্রন্থাগারে নতুন প্রকাশনা জমা গ্রহণ ও আইএসবিএন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বিশেষ টিম কুড়িগ্রামে অবস্থান করেন। কুড়িগ্রামে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদ্‌যাপন । কুড়িগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত, জাগছে নতুন আশা। ব্রহ্মপুত্রের দুর্গম চরের আশীর্বাদ আম বাড়ি ফ্রেন্ডশিপ বিদ্যালয় ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ও উদ্বোধনী রেলি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মনোরম পরিবেশে সময় কাটানোর অতুলনীয় টুপামারী (জিয়া) পুকুরপাড়। কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযানে ১০টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ চোর চক্রের ০৯ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ৪৫ বছরের সরকারি রেকর্ডকৃত রাস্তা ক্ষমতার জোরে বন্ধ, সাধারন জনগণের ভোগান্তি। হঠাৎ উধাও ভাইরাল ‘তাজু ভাই ২.০ পেইজ, হতাশ ভক্তরা।

কুড়িগ্রামে কৃষক কে বঞ্চিত করে সরকারি পার্ট বীজ বিক্রির সত্যতার প্রমাণ পেয়েছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডিসি অফিস, কুড়িগ্রাম।

মোঃ আলমগীর হোসেন

কুড়িগ্রামে কৃষক কে বঞ্চিত করে, সরকারি পার্ট বীজ বিক্রির সত্যতার প্রমাণ পেয়েছে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডিসি অফিস কুড়িগ্রাম।

পাট সোনালী আঁশ হিসেবে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার বিরাট ভূমিকা পালন করে থাকে।

আবার এই পার্ট বিদেশে বিক্রি করে প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। কৃষি ক্ষেত্রে পাটকে বাংলাদেশের সোনালী আঁশ বলা হয়। কুড়িগ্রাম জেলায় ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের প্রায় এক বস্তা পাট বীজ উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘিত মালামাল সম্পর্কে জানতে চাইলে ব্যবসায়ী বলেন লালমনিরহাট থেকে ক্রয় করেছি আবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেন কৃষক মারফত ক্রয় করেছি ।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ পার্ট অধিদপ্তর কুড়িগ্রাম জেলায় কুড়িগ্রামের পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা জনাব মোঃ আব্দুল আউয়াল সরকার এর অধীনে ২০২৪ অর্থ বছরের প্রায় ২১ হাজার কৃষকের মাঝে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২১ টন পাট বীজ ও প্রায় ২৫২ টন মিশ্রিত সার অনুমোদন করেন।
যা অনুপাতে=২১ হাজার কৃষক কে এক কেজি করে পার্ট বীজ এবং ২১ হাজার কৃষক কে ১২ কেজি করে সার প্রদান করার কথা থাকলেও কতটুকু তা বাস্তবায়ন হচ্ছে তা তদারকি করার মত কেউ নেই।

কারণ এই কৃষির উপর সরকার যে পরিমাণ অর্থ বীজ ও সার কৃষকের মাঝে বরাদ্দ দিয়ে আসছে তা কৃষকের মাঝে না গিয়ে কালোবাজারি হিসেবে এই সরকারি পাটের বীজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে।

আজ ১৭- ০৪ -২০২৪ ইং তারিখ রোজ বুধবার আনুমানিক ৪ ঘটিকার সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডিসি অফিস কুড়িগ্রাম, জনাব মোঃ শরীফ খাঁন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করতে ঘটনাস্থলে যান এবং ঘটনার সত্যতার প্রমাণ পান।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিএডিসি কর্তৃক বীজ বিক্রয়ের লাইসেস দেখতে চান, এবং প্রশ্ন করেন এই বীজ কোথা থেকে পেয়েছেন, ব্যবসায়ী কখনো বলেন লালমনিরহাট জেলা থেকে ক্রয় করে এনেছি আবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেছেন, কৃষকেরা এখানে বিক্রয় করে গিয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট লাইসেন্সবিহীন বিএডিসি সরকারি পাট বীজ বিক্রয়ের প্রমাণস্বরূপ তথ্য হাতে নিয়ে উপস্থিত সরকারি আইনী বিধি মোতাবেক ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তাৎক্ষণিক তা ব্যবসায়ী রশিদ মাধ্যমে পরিশোধ করেন। এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিকট প্রথমবারের মতো ক্ষমা চেয়ে অনুরোধ করেন।

গোপন সূত্রে গণমাধ্যম কর্মী বিষয়টি সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে সত্যতা প্রমাণ মিলেছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডিসি অফিস মহোদয়ের কাছে। ভিডিও চিত্রে প্রমাণস্বরূপ সংগ্রহ করা হয়েছে ।বিষয়টি সম্পর্কে কুড়িগ্রাম পাট অধিদপ্তরের জেলা কর্মকর্তা জনাব আব্দুল আউয়াল সরকার ও ফিল্ড অফিসার জনাবা মোছাঃ খাদিজা বেগমসহ পুলিশ প্রশাসন সহ সাধারণ জনগণ উপস্থিত থেকে বিষয়টি সম্পর্কে সকলে তৎপর রয়েছে। উদ্ধারকৃত পাট বীজ সমন্ধে পাট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও ফিল্ড অফিসারের নিকট জানতে চাইলে তারা বলেন, আমরা ইউনিয়নে ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ৫০% বীজ ও সার দিয়েছি এবং বাকি ৫০% আমরা নিজ হাতে অফিসে রেখে কৃষকদেরকে দিচ্ছি।

বীজ কালোবাজারি হিসেবে বিক্রির স্থান: আপেল বীজাগার
প্রোঃ মোঃ আশরাফুল হক
জিয়া বাজার রোড, কুড়িগ্রাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা