কুড়িগ্রাম উলিপুরে হতদরিদ্রদের চাল
ক্ষমতাসীনদের পেটে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
খাদ্য অধিদপ্তরের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় নাম মাত্র মুলে কার্ড ধারী হতদরিদ্রের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয় চলতি বছরের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে। সময়ের কালক্ষেপণ করে মাসব্যাপি চলছে বিতরণ কার্যক্রম। ফলে চাল সিন্ডিকেটের ভাটা পরছে ডিলার দেরমাঝে। উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তার যোগসাজশে সিন্ডিকেটের পথে পা বাডাচ্ছেন ডিলাররা। ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলেও দূর্নীতির পরিবর্তন ঘটেনি আওয়ামিলীগের দলিও ডিলারদের। দুষ্কৃতিকারী ডিলারদের সাথে তালে তালমিলিয়ে চলছেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মেজবাহুল। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন গড়ে ৪৮ জন ডিলার ৮১৬ মে: টন চাল বিতরণ করবে ২৭ হাজার ২শত ১ জন উপকার ভোগীদের মাঝে। ১৫ টাকা মুল্যে ৩০ কেজি করে প্রতিজনকে চাল দেয়ার কথা থাকলেও দুষ্কৃতিকারী ডিলাররা ২৮ কেজি করে বিতরন করছেন। উপজেলার প্রত্যেক ডিলার পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র। দুর্গাপুর ও বজরা ইউনিয়নে কয়েকজন উপকার ভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তাকে বারবার অভিযোগ করার পরেও চাল কমদিচ্ছেন ডিলাররা। উপকার ভোগীরা অভিযোগ করেন কর্মকর্তার যোগসাজশে ডিলাররা সিন্ডিকেট তৈরি করছেন। ইউনিয়ন হাতিয়া ও বজরা ডিলারের কাছ থেকে চাল কমদেয়ার কারন জানতে চাইলে তারা জানান উপজেলা কর্মকর্তা ও ওসি এলএসডিকে ৫ হাজার টাকা করে দিতে হয়। এছাড়াও অনেক কারন থাকে। ২৭২০১ জন উপকার ভোগীদের ২ কেজি করে চাল কম বিতরন করা হলে ৫৪ হাজার ৪শত ২ কেজি চালের সিন্ডিকেট হবে। যার বাজার মুল্য ৩৫ টাকা দরে ১৯ লক্ষ ৪০ হাজার ৭০ টাকা। প্রায় ২০ লক্ষ টাকার দুর্নীতি করছেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা ও তার সহযোগী ডিলাররা। এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মেজবাহুল জানান ডিলারদের সাথে আমাদের কোনরকম টাকা লেনদেন হয়নি। তারা উদ্দেশ্য প্রণিত ভাবে বলছে। চাল কমদেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন এ কর্মকর্তা।