নিজস্ব প্রতিবেদক ২৮/৫/২৫
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মাহবুবার রহমান, পিতা মৃত মহির উদ্দিন, গ্রাম কালে, ডাকঘর খলিলগঞ্জ সদর কুড়িগ্রাম। গত ৭মে ২০২৫ইং তারিখ প্রকাশে নিলাম বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ১ কোটি ১১ লাখ ২০০০ টাকা নির্ধারণ করে বর্ণিত হাটে খাস আদায়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। গোপন সূত্রে জানা যায়, উপরোক্ত করদাতা নির্ধারণ হওয়ার পর আংশিক টাকা জমা দেওয়ার বিলম্ব হওয়ায় হার্ট ইজারাদারের সম্পূর্ণ কাগজপত্র হাতে না পাওয়ায় সেনাবাহিনীর সত্যতা যাচাইয়ের সময় কাগজপত্র দাখিল করতে পারেনি।
উপরোক্ত ব্যক্তিগণ ইজারাদার হিসেবে প্রকাশিত হয়েছেন মাত্র কিন্তু হার্ট ইজারাদারের প্রমাণস্বরূপ কাগজপত্রাদি হাতে না পেয়ে ইজারাদার নামে রশিদ ছাপিয়ে যাত্রাপুর হাট কালেকশনের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেন, যাহা আইনের বহির্ভূত।
গত ২৭শে মে ২০২৫ ইং তারিখ আনুমানিক ৯ ঘটিকার সময় ত্রিমোহনী চত্বরে সেনাবাহিনীর এক চোখুষ্টিম পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রাম আসাগামী সাধারণ জনগণ কোনরূপ ভুক্তভোগীর শিখার না হন সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। এদের মধ্যে যাত্রাপুর হাট থেকে আসা ১৭ টি মহিষ সহ গাড়ি দাঁড় করিয়ে বৈধতা যাচাইয়ের কাগজপত্র চাইলে একপ্রকার এই সত্য ঘটনাটি বেরিয়ে আসে। এ বিষয়ে দৈনিক বাংলাদেশ কন্ঠের সাংবাদিক মোঃ আলমগীর হোসেন, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি । কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট মুঠো ফোনে বিষয়টি তথ্য জানতে চাইলে উপরোক্ততত্ত্বের সত্যতা পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে মহিষ ক্রয়ের ভুক্তভোগীর শিকার হয়ে থানায় মামলা করেন।
আরোও জানা যায়, গত ২৭শে মে ২০২৫ইং তারিখ উপরোক্ত ইজারাদার ভুক্তভোগীর শিকার হয়ে সঠিক নিয়মে হার্ট ইজারাদার এর কাগজপত্র সংগ্রহ করেন।
আরো জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য উপরোক্ত হাট ইজারাদারের প্রতিনিধি হিসেবে ২০দিন ধরে এই কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন।